৫.১. "আর" + "আর" ষ্টুডিও

নোটিস

রেডি তো আপনারা? পাইথন আর ‘আর’ নিয়ে বিতর্ক নেই আর। একদম নতুনদের জন্য আমরা শুরু করব ‘আর’ দিয়ে। ডাটা সাইন্স বুঝতে। গোড়া থেকে। আর সে কারণেই এই বই লেখা। ইউটিউব চ্যানেল, ফেইসবুক পেজ - ওখানে যতই ভিডিও থাকুক না কেন, এই বইটাকে ডিজাইন করা হয়েছে ভিডিও ছাড়া শেখার জন্য। ভিডিও হয়তোবা বাড়তি অ্যাসিমিলেশনের ধারণা দিতে পারে, কিন্তু বইটা ভিডিও ছাড়া একাই একশো। সবচেয়ে মজার জিনিস হচ্ছে এই বই সহ সবকিছুই দেয়া আছে অনলাইনে। আপনাদের সুবিধার্থে।

কাজ শুরু করছি ‘আর’ এনভায়রনমেন্টে। মনে রাখতে হবে ‘আর’ প্রোগ্রামিং এনভায়রনমেন্ট ব্যবহার করতে হলে আমাদেরকে ইন্সটল করতে হবে দুটো জিনিস। শুরুতেই আমরা ইন্সটল করব ‘বেজ আর’। এটাকে আমরা বলব আসল ‘আর’ প্যাকেজ। অনেকে জিজ্ঞাসা করেন ‘আর’ প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ আর তার এনভায়রনমেন্টে পার্থক্য কি? আসলে ‘আর’ একই সাথে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ এবং এনভায়রনমেন্ট স্ট্যাকটিস্টিক্যাল কাজের জন্য। ধরুন, ইংরেজি যদি ল্যাঙ্গুয়েজ হয় তার প্রোগ্রামিং এনভায়রনমেন্ট হবে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড। এখানেও তাই।

শুরুতেই বলে নেই একটা কথা। "আর" এবং "আর" ষ্টুডিও দুটো দুই জিনিস। দরকার কিন্তু দুটোই।

১. বেসিক "আর"

২. "আর" ষ্টুডিও

‘আর’ এর কনসোল দিয়ে কাজ করা যায় ভালো, তবে ‘আর স্টুডিও’র আইডিই, যাকে আমরা বলি ‘ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট এনভায়রনমেন্ট’ এক কথায় তুখোড়। ‘আর প্যাকেজ’ ইনস্টল করার পর আমরা ইনস্টল করবো ‘আর ষ্টুডিও’। উল্টোটা নয়। উইন্ডোজের সব ইনস্টলেশন হচ্ছে ক্লিক - ক্লিক - ক্লিক। সবই ডিফল্ট। শুধু খেয়াল রাখতে হবে আপনার পিসি ৬৪বিট সাপোর্ট করলে ৬৪বিট ইনস্টলার ব্যবহার করা উচিৎ। আমার ধারণা, এমবেডেড এনভায়রনমেন্ট ছাড়া প্রায় সবকিছু চলে এসেছে ৬৪বিটে।

শুরুতেই, ডাউনলোড করি দুটোই।

১. আর-ষ্টুডিও ডেস্কটপ (ওপেন সোর্স এডিশন) https://www.rstudio.com

২. সঙ্গে 'আর'। পাওয়া যাবে একসাথে। এছাড়াও শুধু 'আর' পাওয়া যাবে https://cran.r-project.org/bin/windows/base/ ঠিকানায়

দুটো ইনস্টলেশন শেষ করে একটু চা খাই বরং। এটাই আমাদের সেলিব্রেশন। যারা উইন্ডোজে কাজ করতে পারেন তাদের জন্য ব্যাপারটা পানি ভাত।

ছবির ইনস্টলেশন ভার্সন নিয়ে ভাববেন না। ডাউনলোড করুন সর্বশেষ ভার্সন। ছবি দেয়া হয়েছে একটা ধারণা পাবার জন্য