৪.৩. থিওরি বাদ, কেন প্রজেক্ট দিয়ে শুরু?

তাড়াতাড়ি শেখার সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে - সেটাকে নিজে করা। মানে, বলতে চাচ্ছি - নিজের হাতে জিনিসটা ‘ইমপ্লিমেন্ট’ করা। আমরা যখন কোন জিনিস পড়ি বা চোখ বুলাই, তখন ধারণা করতে চাই যে বুঝেছি জিনিসটা। কিন্তু, আসলে বুঝিনি সেটা।

এ ব্যাপারটা সবচেয়ে বেশি ঘটে পরীক্ষার সময়। পরীক্ষার আগে যখন আমরা রিভিশন দেই, তখন মনে হয় আমরা পরীক্ষায় পারবো। কিন্তু পরীক্ষার সময় লেখতে গেলে বোঝা যায় আসলে আমরা একটা ‘ভ্রান্ত ধারণা’য় ছিলাম যে আমরা বুঝেছি। আসলে কিন্তু বুঝিনি। ধারণা পেয়েছি - তবে কিভাবে আসলে করতে হবে সেটা বুঝিনি।

এর মানে হচ্ছে গিয়ে আমাদের মাথা আমাদেরকে ভুল বুঝিয়েছে। সে কারণে হাতে কলমে নিজে না করলে এই সমস্যা চলতেই থাকে। এজন্য দেখবেন অনেককে পরীক্ষার আগে আগে নিজে হাতে লিখে লিখে পড়ছে। এই হাতে কলমে করার কারণে তার ব্যাপারটা বেশি মনে থাকছে।

এটা এক ধরণের ‘মেটা-কগনিশন’। কোন কিছু শিখতে গেলে সেটা নিজে না করলে পুরোপুরি বোঝা মুশকিল। আর সেকারণে মেশিন লার্নিং নিয়ে কাজ করতে গিয়ে বুঝেছি - একটা মজার প্রজেক্ট করতে হবে নিজে নিজে। আর সেজন্য সেরা হচ্ছে ‘ক্যাগল’। মেশিন লার্নিং নিয়ে হেন প্রজেক্ট নেই তারা করেনি । বাড়তি হিসেবে আছে মিলিয়ন ডলারের পুরস্কার।

পুরস্কারে নাই বা গেলাম, চ্যালেঞ্জটা তো নিতে পারবো! মজার কথা, হাজারো মানুষ আবার লিখে গেছে নিজের নোটবুকে (যাকে আমরা বলি কার্নাল) কিভাবে করতে হবে জিনিসপত্র। সোজা কথায়, চোথা। শুধু দেখলে হবে না চোথা, সেটাকে তুলতে হবে নিজের প্রজেক্টে। আর সেকারণে আমাদের এই প্রজেক্ট ‘টাইটানিক’।

শিখবেন না মানে? আপনার উত্তর সাবমিট করলেই বুঝবেন লিডারবোর্ডে আছেন কোথায়। তখন দেখা হবে পুরো বিশ্বের অন্যান্য মেশিন লার্নিং পাগলদের সাথে। ব্যাপারটাই অন্যরকম। ওদের কোডে কমেন্ট করবেন - ও দেখিয়ে দেবে কিভাবে করেছেন সেটা। বিশাল বিশাল জগৎ একটা।

আছেন তো আমাদের প্রজেক্টে?