কিভাবে পড়বেন বইটা?

The hungrier one becomes, the clearer one’s mind works— also the more sensitive one becomes to the odors of food.

-― George S. Clason, The Richest Man in Babylon

*

আমাদের এই প্রযুক্তির দৃষ্টিতে পৃথিবীতে মানুষ তিন ধরণের।

যারা শুনেছেন মেশিন লার্নিং, আর যারা শোনেননি।

বইটা লেখা হয়েছে এই দুই দলকে ঘিরে। নিচের টেবিলটা দেখি একটু।

যারা শুনেছেন তারা শুরু করতে পারেন পর্ব ৩ দিয়ে। বাদ পড়বে পর্ব ১ আর ২। শুরুটা হবে পর্ব ৩ দিয়ে। এরপর পর্ব ৪, ৫, ৬, ৭, ৮ - আর বাকি পাতাগুলো।

যারা শুধুমাত্র মেশিন লার্নিং "হাতে কলমে" শিখতে চাইছেন তারা শুরু করবেন পর্ব ৪ থেকে। "হাতে কলমে"র মূল অংশ হচ্ছে পর্ব ৫, ৬ আর ৭ এ।

আর যারা শোনেননি তাদের উচিৎ শুরু করা একদম "প্রথম পাতা" থেকে। তবে, বাদ দিতে পারেন পর্ব ১।

যদি প্রশ্ন হয় পড়বেন কারা? তাহলে উত্তর হবে - যারা যেতে চান দূরে। এটা যারা মেশিন লার্নিং সম্পর্কে শুনেছেন তাদের জন্যও হতে পারে।

যারা বইটা বুঝবেন না, তাদের পয়সা ফেরৎ। শর্ত একটাই। কি বোঝেননি সেটা বোঝাতে হবে আমাকে।

*

*

উৎসাহীদের নিয়ে "মিটআপ" হবে বছরে অন্ততঃ দুবার। সত্যিকারের হাতে কলমে দেখাবো তখন। হাজারো স্ক্রিপ্ট দিয়ে। অথবা আপনারা দেখবেন আমাকে। কে জানে কি আছে সামনে? আসল "বসম্যান" চেনা যাবে তখন। সত্যি বলছি!

*

ঠিক ধরেছেন। তৃতীয় ধরণের মানুষজন হচ্ছেন "অবিশ্বাসকারী"। বিভিন্ন পবিত্র ধর্মগ্রন্থে যারা পরিচিত "উপহাসকারী" হিসেবে। উনাদের সামনে হাজারো উদাহরণ দিলেও বিশ্বাস করবেন না নতুন একটা জিনিস। তারা শেখেন না কখনোই। বরং বিভ্রান্ত সৃষ্টি করেন অন্যদের মাঝে। আমি নিজেও একটা বিভ্রান্তে ছিলাম। বের হতে পেরেছি কোনোভাবে। তবে, আমরা চেষ্টা করবো একটা বিশ্বাস নিয়ে এগুতে। শেষমেশ - শিখবোই আমরা। জ্ঞান ও তার সঠিক প্রয়োগ সৃষ্টিকর্তার একটা বিশাল আশীর্বাদ।

Last updated